বৃহস্পতিবার, ০৯-জুলাই ২০২০, ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন

সীমান্ত সংকট, নেপাল-ভারত সম্পর্ক 

shershanews24.com

প্রকাশ : ২২ মে, ২০২০ ০৬:১৯ অপরাহ্ন

মো.নিজাম উদ্দিন 
এক. বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে মানুষ দিশেহারা হলেও রাজনীতি থেমে নেই। মানুষে মানুষে, দেশে দেশে দ্বন্দ্ব সংঘাত আর বন্ধুত্বের রাজনীতি মহামারীতেও চলছে। রাজনীতিতে খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধুটিও কখন যে চরম শত্রুতে পরিণত হয় সে আন্দাজ অসম্ভব। বলছি সম্প্রতি নেপাল -ভারতের মধ্যে সীমান্ত সংকট নিয়ে। এই ত কয়েক বছর আগেও ভারতই ছিল নেপালের রাজনীতির ভাগ্য বিধাতা! কিন্তু সময় আজ বদলে গেছে। পরিবর্তন হয়ে গেছে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির অনেক জটিল হিসাব নিকাশ। নেপালও এর বাইরে থাকতে পারেনি। ২০০৬ সালে নেপালের রাজতন্ত্র বিলোপের সাথে সাথেই নেপালের উপর ভারতের খবরদারিও কমতে থাকে, কারণ রাজারা ছিলেন ভারতের অনুগত। রাজতন্ত্র পরবর্তী নেপাল ভারত সম্পর্ক এখন একেবারেই তলানিতে ঠেকেছে। কী এমন হল? তুলে ধরছি তাই। নেপাল-ভারতের সীমান্ত সংকট প্রায় ষাট বছরের কাছাকাছি সময় ধরেই চলছে। নেপাল ভারতের সীমান্ত উন্মুক্ত। এত দিন সামরিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও ভারতের উপর খুব সিরিয়াসলি নির্ভরশীল ছিল নেপাল। কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি প্রথম মেয়াদে ক্ষমতায় আসার সাথে সাথেই ভারতের সাথে নেপালের সম্পর্কের চরম অবনতি হতে থাকে। সাধারণ নেপালিরাও ভারতের আধিপত্যবাদের থাবা থেকে মুক্তির পথ খুঁজছিল এতদিন। 
দুই. চীনপন্থী কমিউনিস্ট কেপি শর্মা ওলি নেপালের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ নেপালের সংবিধান পরিবর্তন করেন। সংশোধিত সংবিধানে এমন কিছু বিষয় সংযোজিত হয় যার ফলে নেপালের সাতটি প্রদেশের মধ্যে ছয়টি প্রদেশেই সীমান্তে প্রভাবশালী মদেশি, থারু ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ভবিষ্যতে ক্ষমতায় যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়।(উল্লেখ্য মদেশিরা রাজনৈতিক ভাবে ভারতের দ্বারা প্রভাবিত)। প্রতিবাদে নেপাল -ভারত সীমান্তে অঘোষিত অবরোধ শুরু করে মদেশিরা। ভারত তাদেরকে সমর্থন দেয় পেছন থেকে। ফলে ভারতের উপর নির্ভরশীল নেপাল খাদ্যদ্রব্য থেকে পেট্রোল জ্বালানির এক ভয়াবহ সংকটে পড়ে। সীমান্তে হাজার হাজার পণ্যবাহী নেপালি ট্রাক আটকে দেয় মদেশীরা। কিন্তু ঐ সময়ে নেপালের কমিউনিস্ট প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে তার জনগনকে নিয়ে রুখে দাঁড়ান, ফলে জনপ্রিয়তা নেপালে আরো বেড়ে যায় ওলির। ওলি এমনিতেই চরম ভারত বিরোধী। তার ক্ষমতায় আসার সবচেয়ে বড় অস্ত্র ছিল এই ভারত বিরোধিতা। সেও একটা সুযোগ লুফে নেয় সে সময়। ভারত সমর্থিত মদেশি জনগোষ্ঠীর সীমান্ত অবরোধে জ্বালানি সংকট সমাধানের জন্য নেপাল তখন ভারতের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে চীনের সহায়তা চায়। চীনের সাথে নেপালের জ্বালানি চুক্তির ফলে চীন থেকে জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানী শুরু করে। পরে নেপালের প্রধানমন্ত্রী চীন সফর করলে দুদেশের সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হয়। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই ভারত নেপালের উপর প্রচন্ড ক্ষুব্ধ হয়। চীনও নেপালের সাথে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করার একটা চরম মুহূর্তের সুযোগ নেয়। ভারতের সাথে নেপালের সম্পর্কের যে চরম অবনতি চলছে তার শুরু সেখান থেকেই। 
 তিন. নিকট অতীতে গৌরাঙ্গ নামে এক নেপালীকে সীমান্তে বিএসএফ গুলি করে হত্যা করলে সারা নেপাল ব্যাপী ভারত বিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী তখন নেপালের প্রধানমন্ত্রী ওলিকে ফোন করতে বাধ্য হন,পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়। কিন্তু সেই ক্ষত আর সারেনি,বরং দিন দিন বাড়ছেই। দেশের জনমত বিস্ময়কর ভাবে চীনপন্থী নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি ওলির পক্ষে আরো ভয়াবহ ভাবে বাড়তে থাকে। ঐ সময়ে এবং এই সময়ে নেপালের জনগণের যে ভারত বিরোধী সেন্টিমেন্ট তার পুরোটাই ক্যাশ করতে সক্ষম হন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি ওলি। চীনও পর্দার আড়ালে থেকে অত্যন্ত দক্ষ খেলোয়াড়ের মতোই তখন থেকে এখনো খেলে যাচ্ছে। ২০১৮ সালের মার্চে পাকিস্তানের সাথে ভারতের খুব খারাপ সময়টায় পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রী শহীদ খাকার আব্বাসীকে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি ওলি কাটমুন্ডুতে স্বাগত জানিয়ে ভারতকে আরেকটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন যে, প্রয়োজনে শুধু চীন নয়, পাকিস্তানেও চোখ রাখবে নেপাল! নিশ্চয়ই সে ঘটনা ভারতের জন্য স্বস্তিদায়ক ছিল না। 
চার. নেপালে হাজার হাজার তিব্বতি বসবাস করে। তারা যাতে নেপালে থেকে চীনের বিদ্রোহী তিব্বতিদের উষ্কে দিতে না পারে অনেক দিন যাবত নেপালের কাছ থেকে সেই নিশ্চয়তা চাইছিল চীন, এত দিন সেই বন্ধু চীন নেপালে খুঁজে পায়নি।এবার কেন কেপি ওলির মতো আন্তরিক বন্ধুকে মিস করবে, ফিরিয়ে দিবে! নেপাল চীনের কাছে দাবী জানায়, হিমালয়ের মধ্যে দিয়ে চীনের বিস্তৃত রেল পথে যেন নেপালকে যুক্ত করা হয়। সেই দাবী অবশ্য ভারত থেকে চীনে ফেরত আসা বন্ধু নেপালের জন্য খুব বেশি ছিল না। কেপি ওলির প্রথম মেয়াদের ক্ষমতায় চীন সফরে তিনি নেপাল -চীন ট্রানজিট চুক্তি স্বাক্ষর করে ভারতের উপর নেপালের নির্ভরশীলতা চরম মাত্রায় কমিয়ে আনেন। দুটি পারমাণবিক শক্তিশালী রাষ্ট্রের(ভারত, চীন) মাঝখানে থেকেও নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি ওলি বুঝতে সক্ষম হলেন, কিভাবে তার দেশ ভারত -চীনের জন্য এতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারল,সেও মাঝখানে থেকে রাজনীতির দাবার চালে নেপালকে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিয়ে গেছে। নেপালের ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব চীন ভালো ভাবেই বুঝতে পারছিল এতদিন। চীনের ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড প্রজেক্ট নেপালকে যুক্ত করলেও, ভারত এতে যুক্ত হয়নি। এ অঞ্চলে চীনের আধিপত্য মেনে নেয়া ভারতের জন্য বরাবরই অসম্ভব। ফলে মার্কিন সহায়তায় সে তার মত করে এশিয়ার এ অঞ্চলে নিজের মত করে এক ধরনের সাম্রাজ্যেবাদ বা দখলদারি টিকিয়ে রেখেছে। কেউ কেউ এগুলো রাজনৈতিক দেনাপাওনার জন্য নিরবে মেনে নিলেও নেপালের মত রাষ্ট্রগুলো বিকল্প রাজনৈতিক শক্তিকে পাশে নিয়ে রুখে দাড়াচ্ছে,প্রতিবাদ করছে,মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। নেপালের অর্থনীতির খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু এখন চীন, যা কোনো ভাবেই মেনে নিতে পারছেনা ভারত। ফলে ছোটখাটো বিষয়েও এখন নেপাল-ভারতের মনোমালিন্য লেগেই আছে। নেপালে চীনের উপস্থিতি ভারতের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে এখন। এ থেকে ভারতের মুক্তি আর খুব সহজে হচ্ছে না বলেই মনে হয়। সাম্প্রতিক করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে চীনের সাফল্য মহামারী পরবর্তী বিশ্বে চীনকে আরো শক্তিশালী নেতৃত্বের জায়গায় নিয়ে যাবে যার সুফল কিছুটা বন্ধু হিসাবে নেপালও পাবে।
পাঁচ. আজকের এই লেখাটির উদ্দেশ্য মূলত সম্প্রতি ভারত কর্তৃক লিপুলেখ সীমান্ত সংকট। বিশ্বগণমাধ্যমে উঠে এসেছে নেপাল-ভারতের সীমান্ত সংকট। ভারতের উত্তরাখন্ড, চীনের তিব্বত এবং নেপাল সীমান্ত এই তিন দেশের সীমান্ত যেখানে গিয়ে মিশেছে তার নাম লিপুলেখ। গত ৮মার্চ ভারতের উত্তরাখণ্ডের পিথাউধাগড়ের সাথে লিপুলেখের ৮০ কিমি দীর্ঘ একটি পাহাড়ি লিংকরোডের উদ্বোধন করেন ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। সম্প্রতি নেপাল-ভারত সংকট এই সড়ক নির্মাণকে কেন্দ্র করেই। নেপাল মনে করে লিপুলেখ তাদের রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভারত ভাবে তার! ফলে এই পার্বত্য গিরিপথ লিংকরোড নির্মাণের বিরুদ্ধে করোনা ভাইরাসের এই মহামারীতেও নেপালে বিশাল ভারত বিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে। এই রাস্তা কালাপানি নামক যে জায়গার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে সেই কালাপানিকেও নেপাল তাদের ভূখণ্ড মনে করে। ফলে সমস্যাটা বড়ই হচ্ছে।যদিও ভারত বলছে এই রাস্তাটি নেপাল ও চীনের তিব্বতের তীর্থযাত্রীদের হিন্দুদের পবিত্র স্থান কৈলাশ মানোস সরোবরে যাওয়ার পথ কমাবে! ভারতের ধর্মীয় এই সান্ত্বনা কী যাদের দেশের মাটি দখল হয়ে যাচ্ছে তাদের জন্য যথেষ্ট? যার মাটি তার হৃদয়ের রক্তক্ষরণ কমাবে? নেপালি পার্লামেন্টে ভারতের লিপুলেখ দখলের পরদিনই প্রতিবাদের ঝড় উঠে। কাটমুন্ডুতে ভারতীয় দূতকে তলব করে প্রতিবাদ স্বরুপ কূটনৈতিক একটি নোট ধরিয়ে দেয় নেপাল। এদিকে ভারতীয় চিফ স্টাফ মনোজ নাভারান এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় চীনের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন- সড়ক নিয়ে নেপাল সরকারের আপত্তি এসেছে অন্য কারো নির্দেশে। ফলে পরিস্থিতি আর স্বাভাবিক হচ্ছেই না। উত্তপ্ত হচ্ছে। নেপাল পার্লামেন্টের এমপি পুষ্প ভূষণ গৌতম বিবিসিকে বলেছেন ১৮১৬ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও নেপালের মধ্যে স্বাক্ষরিত সাগাউলি চুক্তি অনুসারে ঔ এলাকা নেপালের। নেপালের এক ইঞ্চি জমিও কেউ কেড়ে নিতে পারবে না, ভারতের দাদাগিরির বিরুদ্ধে নেপালের সিংহভাগ মানুষ গর্জে উঠবে বলে প্রতিবাদ জানিয়েছে আরেক এমপি গগন থাপা। প্রশ্ন আসতেই পারে, হঠাৎ নেপাল কেন এমন দুঃসাহসিক প্রতিবাদ শুরু করলো? কী তার শক্তির উৎস? সম্ভব হচ্ছে কয়েকটি কারণে- নেপালের সাহসী নেতৃত্ব, প্রতিবাদী জনতার দেশপ্রেম এবং চীনের মত একটি রাষ্ট্রের সমর্থন।
ছয়. নেপাল ও ভারতের মধ্যে বিতর্কিত যে কয়েকটি জায়গা রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো- লিপুলেখ, কালাপানি এবং লিম্পিয়াধুরা, যেগুলোকে উভয় রাষ্ট্রই নিজেদের বলে দাবী করে। নেপালের মন্ত্রীসভা এখন সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই তিনটি স্থানকে রেখেই নেপালের নতুন রাষ্ট্রীয় মানচিত্র প্রকাশ করা হবে। নতুন এই মানচিত্র স্কুল,কলেজের বইপত্রে, সরকারি প্রতীকে এবং অফিস আদালতের কাগজপত্রে এখন থেকেই ব্যবহার করা হবে! কী দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত! তাও নেপালের মত ছোট একটি দেশ ভারতের বিরুদ্ধে? নেপাল -ভারত ও চীনের মাঝখানে থেকে বুঝতে পেরেছে সে কতটা গুরুত্বপূর্ণ উভয়ের জন্য, যাকে কম আগ্রাসী মনে হয়েছে তার দিকেই বন্ধুত্বের হাত প্রসারিত করেছে। এর জন্য প্রয়োজন সময়োপযোগী সাহসী নেতৃত্ব। দেশ ছোট না বড়- ইট ডাজন্ট মেটার। নেপাল দেখিয়ে দিচ্ছে কিভাবে প্রতিবাদ করতে হয়। রুখে দাঁড়াতে হয়। গত বছর কাশ্মীরকে- কাশ্মীর ও লাদাখ নামে দুই টুকরো করার পর ভারত যে নতুন মানচিত্র প্রকাশ করে তাতে নেপাল ও ভারতের বিতর্কিত ভূমি কালাপানি ও লিপুলেখকেও মানচিত্রে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে প্রকাশ করে। কিন্তু সেই সময়ও নেপাল উক্ত জায়গা গুলোকে নিজেদের দাবী করে এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের তীব্র নিন্দা জানায়। নেপালের ভূমিকে ভারত প্রথমে তাদের মানচিত্রে প্রকাশ করে পরে সেখানে রাস্তা নির্মাণ করলো। দখলের আর কী বাকী থাকে! এখন নেপাল সেখানে সেনাবাহিনী পাঠানোর কথাও ভাবছে! ভারত যাই করুক না কেন সামনে অত্যন্ত সতর্কতার সাথেই তাকে নেপালের দিকে পা বাড়াতে হবে। নেপালে চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উপস্থিতি এখন চরম পর্যায়ে বাড়ছে। বাড়ছে নেপালের প্রতি ভারতের ক্ষোভও। জনগণ চীনের সাথে নেপালের সম্পর্ককে ভারতের বিরুদ্ধে একটা প্রতিশোধ হিসাবে দেখছে। সুতরাং নেপালের দিকে এখন ভারতকে খুব হিসাব করে আগাতে হবে। দক্ষিণ এশিয়ায় তুলনামূলক ছোট রাষ্ট্র গুলোর বড় সুবিধা হচ্ছে এই রাষ্ট্র গুলো চাইলেই তাদের প্রতিবেশি পরিবর্তন করতে না পারলেও বন্ধু পরিবর্তন করে রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে। নেপাল যেমন ভারত থেকে মুখ ফিরিয়ে চীনকে বরন করে এগিয়ে যাচ্ছে। ভারতকে বুঝিয়ে দিয়েছে -তুমি আমার বন্ধু হতে পারো,প্রভু নও। নেপাল -ভারত সীমান্তের অমীমাংসিত জায়গায় ভারত কর্তৃক সড়ক নির্মাণ নেপালের জনগণকে ভারতের প্রতি আরো ক্ষুব্ধ করেই তুলবে।এই ধরনের সংকট চীনকে নেপালের আরো ঘনিষ্ঠ করে তুলবে। দূরত্ব বাড়বে ভারতের সাথে। নেপালের সাহসের তারিফ করতেই হয়।
(এমফিল গবেষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)