বুধবার, ৩০-সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন

চুলের সৌন্দর্য সামলে রাখুন শীতে

shershanews24.com

প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারী, ২০২০ ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন

সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজের সৌজন্যে: আপনি কি মাসে একবার বা দুবার খান বা মাসে একবার বা দুবার স্নান করেন! নিশ্চয়ই প্রশ্ন শুনে চমকে গিয়েছেন। আসলে আমি বলতে চাই সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকতে যেমন আমরা প্রতিদিন পুষ্টিকর খাবার খাই, সেরকমই চুলের যতœ আমরা প্রতিদিন নেব না কেন? মাসে একবার বা দু’বার হেয়ার প্যাক বা হেয়ার অয়েল বা একবার করে হেয়ার স্পা করলেই কিন্তু হবে না। চুলের যতœ নিতে হবে প্রতিদিন। তাহলেই আপনার চুল থাকবে ঘন, কালো, মজবুত এবং জেল্লাদার। তাই প্রতিদিনের চুলের যতেœর রুটিনটি ঠিক কেমন হবে তা চটপট পড়ে ফেলুন আজকে। 
ঘুম থেকে উঠে চুল আঁচড়ে নিন 
সকালে ঘুম থেকে উঠে চুল আঁচড়ানো খুব জরুরি। আমরা যতই চুল বেঁধে ঘুমোই না কেন, ঘুম থেকে ওঠার পর তাতে অল্প জট হয়েই যায়। তাই সকালে উঠে চুল খুলে ভালো করে চুল আঁচড়ে নিন। এতে রাত ভর আপনার চুলের গোড়ায় যে প্রাকৃতিক তেল নির্গত হয় তা আপনার চুলে ছড়িয়ে যায়, যা আপনার চুলের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন। অন্তত ৫-১০ মিনিট নিজের চুল কে প্যাম্পার করুন।
চুল ধুয়ে নিন: 
চুল নিয়মিত ভালো করে না ধুলে কিন্তু খুব বিপদ। চুলের ধরণ অনুযায়ী তা আলাদা হওয়া প্রয়োজন। যাদের নর্মাল চুল তারা একদিন পরপর চুল ধুতে পারেন। যাদের তৈলাক্ত চুল তারা প্রতিদিন চুল ধুয়ে ফেলতে পারেন। যাদের রুক্ষ চুল তারা দু’দিন পরে একবার করে চুল ধুলে ভালো। রুক্ষ চুল যাদের তাদের চুলকে নমনীয় করে এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করা উচিত। আবার যাদের তেলতেলে চুল তাদের অয়েল ক্লিয়ার শ্যাম্পু ব্যবহার করা ভালো। আর নর্মাল চুল হলে যে কোনো ধরনের শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। শ্যাম্পু ভালো করে মাথায় সার্কুলার মোশনে ম্যাসাজ করা উচিত। এছাড়া কন্ডিশনার ব্যবহার করাও উচিত।  
ভেজা চুলের যত্ন :
স্নান করার পর নরম তোয়ালে দিয়ে চুল মুছে নিতে হবে। তবে চেপে চেপে মুছতে হবে। কখনই তোয়ালে দিয়ে চুল জোরে জোরে ঘষে মোছা উচিত নয়। ভেজা চুল নরম থাকে, তাই ঘষলে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এক্ষেত্রে চুলে তোয়ালে পেচিয়ে রাখুন। এতে আপনার মাথার অতিরিক্ত জল তোয়ালে শুষে নেবে। একটু শুকিয়ে গেলে তবেই চুল আঁচড়ে নেবেন। 
হেয়ার প্রোডাক্ট : 
প্রতিদিন কাজে বেরোনোর সময় বা বাড়িতে থাকলে চুল বাঁধাটা কিন্তু একটা বড় কাজ। কখনই ভেজা চুল বাধা উচিত নয়। খুব বেশি তাড়া থাকলে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করতে পারেন, কিন্তু অকারণে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার না করাই ভালো। এতে চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 
রাতে চুলের যত্ন নিন
রাতে কিন্তু চুলের যত্ন নেওয়া খুব প্রয়োজন। একদিন বা দু’দিন পরপর একবার করে রাতে ভালো করে মাথায় অয়েল ম্যাসাজ করা খুব জরুরি। এতে চুল পুষ্টি পায় এবং চুল মজবুত হয়। তেল মাখুন বা না মাখুন, রাতে কিন্তু আরেকবার ৫-১০ মিনিট ধরে চুল আঁচড়ে নিয়ে চুল বেঁধে শুলে চুল ভালো থাকে। 
খুসকির সমস্যা দূর করতে ঘরোয়া উপায়
একুট একুট করে শীত আসছে। আর শীত এলে খুসকির সমস্যা বেশি দেখা যায়। তবে সারা বছরই খুসকির সমস্যা লেগে থাকে। অতিরিক্ত দূষণ, ধুলো-ময়লার কারণে চুলের ক্ষতি হয়। তাছাড়া খুসকি হলো চুলের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও বিরাট এক সমস্যা। অত্যধিক মাত্রায় চুল ঝরে যাওয়া, চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়া বা বিভিন্ন ধরনের স্ক্যাল্প ইনফেকশন-এর জন্য অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দায়ী এই খুসকি।
খুসকির সমস্যা থেকে রেহাই পেতে বাজারে নানা ধরনের শ্যাম্পু বা  লোশন ব্যবহার করেন অনেকেই। কিন্তু এগুলোতে থাকা বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানের প্রভাবে কখনো কখনো উল্টে চুলেরই ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। আর তাতে অকালে টাক পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। জেনে নেয়া যাক এমন বেশ কয়েকটি কার্যকরী ঘরোয়া উপায়, যেগুলো সামান্য খরচে খুসকির সমস্যা দ্রুত দূর করতে পারে কোনো রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই। 
নারকেল তেল : 
নারকেল তেল খুসকির প্রকোপ কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী। নারকেল তেল চুলের গোড়া ময়েশ্চারাইজ করে খুসকি এবং স্ক্যাল্প ইনফেকশনের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দেয়। সপ্তাহে অন্তত দুবার চুলের গোড়ায় সামান্য উষ্ণ নারকেল তেল দিয়ে মালিশ করতে পারলে খুসকির সমস্যায় দ্রুত উপকার পাবেন।
টকদই : 
খুসকির সমস্যা  থেকে বাচঁতে টকদই বেশ কার্যকরী। খুসকি দূর করতে টকদই মাথার ত্বকে মিনিট দশেক ধরে ভালো ভাবে মালিশ করুন। এরপর ১০ মিনিট রেখে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। খুসকির সমস্যা পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত সপ্তাহে অন্তত দুবার এইভাবে চুলে টকদই ব্যবহার করে দেখতে পারেন। 
পেঁয়াজের রস: 
দুটো মাঝারি মাপের পেঁয়াজ ভালো করে বেটে এক মগ পানিতে (অন্তত ৩০০-৩৫০ মিলিলিটার পানিতে) মিশিয়ে নিন। মাথায় এই পেঁয়াজের রস ভালো করে মাখিয়ে মিনিট পনেরো মালিশ করুন। এরপর ৫ মিনিট রেখে গমর পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে দু-তিনবার পেঁয়াজের রস মাথায় মাখলে খুসকির সমস্যা থেকে দ্রুত রেহাই পাবেন।
রিঠা: চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে রিঠা অত্যন্ত কার্যকরী। খুসকির সমস্যা দূর করার ক্ষেত্রেও অনেক কার্যকরী। রিঠা পাউডার বা রিঠা সিদ্ধ পানি চুলের ত্বকে লাগিয়ে ঘণ্টা খানেক রেখে তারপর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে অন্তত দুবার রিঠার জল মাথায় মাখলে খুসকির সমস্যায় দ্রুত উপকার পাবেন।
মেথি: 
খুসকির সমস্যার সমাধানে কাজে লাগাতে পারেন মেথি। সারারাত দু-তিন চামচ মেথি জলে ভিজিয়ে রেখে দিন। সকালে মেথির থেকে পানি ছেঁকে নিয়ে ভালো করে বেটে নিন। তবে ছেঁকে নেয়া পানি ফেলে দেবেন না। এবার বেটে নেয়া মেথি চুলের গোঁড়ায়, মাথার ত্বকে ভালো করে লাগিয়ে নিন। ঘণ্টা খানেক রেখে চুল ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। চুল ধোয়ার পর মেথি ভেজানো জল দিয়ে আরও একবার চুল ধুয়ে নিন। এভাবে সপ্তাহে অন্তত দুবার মেথি-মালিশ করলে খুসকির সমস্যায় দ্রুত উপকার পাওয়া যাবে।
গর্ভাবস্থায় কীভাবে আপনার অমূল্য চুলের যতœ নেবেন?
গর্ভাবস্থায় আপনার দরকার বিশেষ যতœ। স্বাভাবিকভাবেই শরীরের যতœ নেওয়ার পাশাপাশি আপনার চুলেরও এ সময়ে বাড়তি যতেœর প্রয়োজন। জেনে নিন, গর্ভাবস্থায় ঠিক কীভাবে যতœ নিলে আপনার চুল ওঠা কমবে, চুল থাকবে মসৃণ আর চকচকে।
চুলে অয়েল মাসাজ নিন : 
মাথায় আর চুলে গরম তেল দিয়ে ধীরে ধীরে মালিশ করলে আরাম পাবেন, তেমনি চুলেরও উপকার হবে। তেল মাসাজ করলে বিবর্ণ, নিষ্প্রাণ চুল সহজেই চকচকে আর স্বাস্থ্যোজ্জ্বল হয়ে ওঠে। আপনার পছন্দের তেল দিয়ে প্রতি সপ্তাহে অন্তত আধঘণ্টা ভালোভাবে মাথায় মালিশ করুন। এতে রাতে ঘুমটাও ভালো হবে।
এড়িয়ে চলুন হিট স্টাইলিং : 
গর্ভাবস্থায় তাপ প্রয়োগ করে নানান কায়দায় চুলের স্টাইল না করাই ভালো। এমনিতেই এই সময় নানা কারণে আপনার চুল আর স্ক্যাল্প দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই ঘন ঘন হিট স্টাইল করলে চুল আরও শুকনো হয়ে ভঙ্গুর হয়ে যায়। 

চুল বাঁধুন হালকা ছাঁদে : 
খুব আঁটসাঁট করে চুল বাঁধবেন না, তাতে মাথায় আর চুলের ফলিকলগুলিতে টান পড়ে। এর ফলে চুলে জট পড়ে, চুল পড়ে যায়, ছিঁড়ে যায় বা গোড়া থেকে ভেঙে যায়।

হেয়ার প্রডাক্ট বাছাই করুন বুঝেশুনে
নিজের চুলের ধরনটা বুঝে নিন এবং এমন তেল, শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন যা একেবারেই কড়া নয় এবং আপনার চুলের সমস্যাগুলো নিরাপদে মোকাবিলা করতে পারে। বেছে নিন ভেষজ তেল, অর্গ্যানিক হেয়ার কালার রং, কোমল শ্যাম্পু আর কন্ডিশনার। প্রতিবার চুলে শ্যাম্পু করার আগে তেল মাখুন আর পরে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।
সাবধানে চুল আঁচড়ান : 
ভেজা চুল কখনওই আঁচড়ানো উচিত নয়, গর্ভাবস্থায় তো আরওই সাবধানতা দরকার। ভঙ্গুর আর অশক্ত চুলের ভিজে অবস্থায় ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা থাকে অনেক বেশি। চুল প্রাকৃতিকভাবে শুকিয়ে নিয়ে মোটা দাঁড়ার চিরুনি দিয়ে আঁচড়ান। ধীরে ধীরে চুল আঁচড়াবেন আর বেশিক্ষণ আঁচড়াবেন না।
খাবারদাবারের দিকে নজর রাখুন
আপনার চুলের সুস্বাস্থ্যের জন্য এমন খাবার খান, যেগুলি প্রোটিন আর ক্যালসিয়ামে ভরপুর। বেশি করে আমন্ড আর সিডস খান। খাবারের তালিকায় মাছ, সবুজ পাতাযুক্ত শাকসবজি আর ফল রাখুন। প্রচুর পরিমাণে জল আর ফলের রস খাওয়াও খুব দরকার যাতে শরীরে জলের পরিমাণ ঠিকঠাক বজায় থাকে।
চুল সুরক্ষিত রাখুন : 
সবসময় চেষ্টা করা উচিত চুলকে সূর্যের আলো, রোদ, বৃষ্টি থেকে সুরক্ষিত রাখার। সূর্যের কড়া রোদ, তাপ, ধুলোবালি ইত্যাদি চুলের দুর্দশা ডেকে আনে। ধীরে ধীরে এরা জমাট বাঁধা শুরু করে চুলের গোড়াতে এবং ফলাফল স্বরূপ শুরু হয় চুল পড়া। তাই এ ঝামেলা গুলো থেকে রেহাই পেতে খোলা আকাশের নিচে রোদ কিংবা বৃষ্টিতে চলাচলের সময় ছাতা অথবা ক্যাপ পড়া উচিত। এমনকি কাপড় কিংবা ওড়না দিয়ে ঢেকে রাখলেও অনেকাংশেই চুল সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।
সঠিকভাবে শ্যাম্পু করুন : 
বাইরে বের হলে চুলে প্রচুর ধুলাবালু আর ময়লা চুলে জমে থাকে। তাই, চুল পরিষ্কারের জন্য চুলের ধরন বুঝে ভালো মানের শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। শ্যাম্পু করার সময় ভালো করে মাসাজ করে শ্যাম্পু করুন। চুলে বেশি ময়লা থাকলে দুইবার শ্যাম্পু করুন। সপ্তাহে ৩/৪ দিন ভালো শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করুন। 
কন্ডিশনার ব্যবহার করুন :
 চুলের কন্ডিশনার সঠিকভাবে ব্যবহার করা উচিত। কন্ডিশনারের কাজই হলো চুলকে মসৃন রাখা যার মানে হলো চুলের গোড়াতে এর কোনো প্রয়োজনই নেই। তাই কন্ডিশনার ব্যবহার করার সময় তা প্রয়োগ করা উচিত চুলের গোড়া থেকে অন্তত এক ইঞ্চি দূর থেকে। এছাড়া অতিরিক্ত পরিমানে কন্ডিশনার ব্যবহার করা থেকেও বিরত থাকা উচিত না হলে চুল তৈলাক্ত হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে।
হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করুন : চুলের যত্ন নেওয়ার সময় একই কোম্পানির অনুরূপ উপাদানে তৈরি প্রোডাক্টস ব্যবহার করা উচিত। এতে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই আপনার চুলের যতœ নিতে পারবেন।
অতিরিক্ত হিট দেওয়া থেকে বিরত থাকুন
তাপ চুলকে ভেঙে যেতে সহায়তা করে আর তাই চুলে হিট দেওয়া থেকে বিরত থাকাই উত্তম। অতিরিক্ত হিটের কারণে চুল জ্বলে যেতেও পারে তাই ব্লোয়ার, আয়রন অথবা চুল স্ট্রেটনার যদি ব্যবহার করতেই হয় তাহলে সাবধানতার সাথে তা করা উচিত।
তোয়ালে ব্যবহার করুন আলতোভাবে  
অনেকেই চুলকে মোছার সময় খুব চাপ প্রয়োগ করে চুল মুছে থাকে। এতে বারবার ঘর্ষণের ফলে চুল তার সুস্থতা হারিয়ে ফেলে গোড়া থেকে ভেঙে যাওয়ার আশংকায় থাকে। তাই চুল মোছার সময় যতটা সম্ভব আলতোভাবে তোয়ালে ব্যবহার করা উচিত।
আঁটসাঁট বেণী নয় : 
ঘুমানোর আগে শক্ত করে বেণী না করাই ভালো। এতে চুল একসাথে থাকবে কিন্তু টানটানে থাকবেনা ফলে ভেঙে যাওয়ার সুযোগ কম।
ভালো বালিশের কভার ব্যবহার করুন : 
কটন এর কাপড় রুক্ষ হয় যা থেকে তৈরি বালিশের কভারে ঘুমালে চুল ভেঙে যাওয়া একটি দৈনন্দিন ঘটনা হয়ে যেতে পারে। তাই তা পরিহার করে পাতলা কাপড়ের কভার ব্যবহার করা উচিত।
হট অয়েল মাসাজ :
চুলের পরিপূর্ণ পুষ্টি যোগাতে অয়েল মাসাজের বিকল্প নেই। আজকাল কোকোনাট অয়েল ছাড়াও বাজারে আমলা অয়েল, আমন্ড অয়েল, অলিভ অয়েল, ক্যাস্টর অয়েল ইত্যাদি কিনতে পাওয়া যায়। চাইলে এগুলো একসাথে মিক্স করেও চুলে লাগাতে পারেন।
চুলে টিজিং পরিহার করুন : 
টিজিং করে চুলের আয়তন বৃদ্ধি করা গেলেও তা চুলের জন্য ভালো নয়। তাই তা পরিহার করাই উচিত।

ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল পরিষ্কার করুন : 
গরম পানির ব্যবহার চুলের জন্য ক্ষতিকর, তাই চুল পরিষ্কারের জন্য সবসময় ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন। 
চুল নিয়মিত ব্রাশ করুন : চুল নিয়মিত ব্রাশ করা প্রয়োজন। এতে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। নিয়ম করে দিনে ২-৩ বার হেয়ার ব্রাশ করা চুলের জন্য উপকারী, রাতে ঘুমানোর আগে চুল ব্রাশ করুন।
চুলে হেয়ার প্যাক ব্যবহার করুন: 
চুল ভালো রাখার জন্য ধরন বুঝে হেয়ার প্যাক ব্যবহার করুন। চুল শুষ্ক বা মিশ্র হলে ১০ থেকে ৫ দিন পরপর, আর তৈলাক্ত হলে ১৫ দিন পরপর চুলে প্যাক লাগান। ঘওে তৈরি প্যাক চুলের সুরক্ষায় বেশি কার্যকরী।

অতিরিক্ত হেয়ার প্রোডাক্ট নয়: 
চুলে অতিরিক্ত হেয়ার প্রোডাক্ট কখনই ব্যবহার করা উচিত নয়। এতে চুলের বৃদ্ধি এবং সৌন্দর্য ব্যাহত হয়। সুন্দর চুলের জন্য যে খুব ব্যয়বহুল লাইফস্টাইল অথবা প্রোডাক্টস ব্যবহার করতে হয় এমনটা কখনই নয়। শুধু প্রয়োজন নিয়মিত পরিচর্যা আর প্রয়োজন সঠিক পুষ্টির।
(সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজে ৬ জানুয়ারি ২০২০ প্রকাশিত)