বুধবার, ২৫-নভেম্বর ২০২০, ০৭:২১ অপরাহ্ন
  • আন্তর্জাতিক
  • »
  • তুমুল যুদ্ধ, নতুন এলাকা মুক্ত করল আজারবাইজান (ভিডিও)

তুমুল যুদ্ধ, নতুন এলাকা মুক্ত করল আজারবাইজান (ভিডিও)

shershanews24.com

প্রকাশ : ২১ অক্টোবর, ২০২০ ১০:৪৬ অপরাহ্ন

শীর্ষনিউজ ডেস্ক : বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখে জাবরাইল প্রদেশে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে রাতভর তুমুল সম্মুখ যুদ্ধ হয়।এতে ট্যাংক-ভারী অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদসহ অন্যান্য সামরিক সরঞ্জামাদি রেখে পালাতে বাধ্য হয় আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনী।  এরপরই এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেয় আজেরি বাহিনী। 

বুধবার আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জাবরাইল প্রদেশের সেরেকেন গ্রাম দখলমুক্ত করেছে আজারবাইজানের সেনাবাহিনী।  ওই গ্রামটির একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করা হয়।  ভিডিওতে দেখা যায়, যুদ্ধবিধ্বস্ত গ্রামটির ছবি। কোথাও কোনো জনমানব নেই।  

ওই অঞ্চলে আজারবাইজানের সেনাবাহিনীর একের পর এক আক্রমণের মুখে যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে পালায় আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনীর ৫৫৬ রেজিমেন্ট। 

আজেরি সংবাদমাধ্যম আজভিশন জানিয়েছে, যুদ্ধরত অঞ্চলটিতে ব্যবহৃত বেশ কিছু ট্যাংক রেখে পালিয়ে যায় শত্রুপক্ষ। এছাড়া আরও কয়েকটি অঞ্চলে তীব্র আক্রমণের মুখে আর্মেনীয় বাহিনী সামরিক যানবহন, গোলাবারুদ, রকেট লাঞ্চার, বিভিন্ন ধরনে অস্ত্র, গুলিসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জামাদি ফেলে যায়।  

এ ছাড়া মঙ্গলবার রাত থেকে আঘদারা, ফুজুলি, জাবরাইল এবং গুবাদলি এলাকায় সম্মুখ যুদ্ধ হয়।  এসব এলাকায় ব্যাপক আকারে ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে আর্মেনীয় বাহিনী।  তাদের বেশ কিছু গোলাবারুদ ও বাহিনীর সদস্যদের প্রাণহানি ঘটে।  

২৭ সেপ্টেম্বর থেকে বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান নতুন করে যুদ্ধে জড়ায়।পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ম্যারথন আলোচনা হয়।

১১ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধবিরতির কয়েক মিনিটের মধ্যেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান পরস্পরকে সাময়িক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘেনের জন্য অভিযুক্ত করে।

দ্বিতীয়বারের মতো শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত থেকে যুদ্ধবিরতির পরপরই গানজাতে আর্মেনিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৩ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে চারজন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছে। এ ছাড়া হামলায় আহত হয়েছেন ৫০ জন। এরপরই দুই দেশের মধ্যে তুমুল লড়াই শুরু হয়। 

কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। তবে ওই অঞ্চলটি জাতিগত আর্মেনীয়রা ১৯৯০’র দশক থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে।ওই দশকেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে যুদ্ধে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়। 
শীর্ষনিউজ/এসএসআই