রবিবার, ১৭-নভেম্বর ২০১৯, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
  • অপরাধ
  • »
  • মালামাল সরিয়ে নেয়া হচ্ছে, বিজিএমইএ ভবন ভাঙার প্রস্তুতি

মালামাল সরিয়ে নেয়া হচ্ছে, বিজিএমইএ ভবন ভাঙার প্রস্তুতি

shershanews24.com

প্রকাশ : ২১ অক্টোবর, ২০১৯ ০৮:৩৬ অপরাহ্ন

শীর্ষনিউজ, ঢাকা : রাজধানীর হাতিরঝিলের ‘ক্যান্সার’ বিজিএমইএ ভবন ভাঙা শুরু হবে আগামী সপ্তাহে। ১৫ তলা এই ভবনে সনাতন পদ্ধতিতে ভাঙা হবে বলে আগেই জানিয়েছিলেন রাজউকের প্রকৌশলীরা।

বাংলাদেশে এর আগে কখনও এত বড় ভবন ভাঙা হয়নি। এক দশক আগে তেজগাঁওয়ের র্যাংগস ভবন ভাঙা হয়েছিল, তা বিজিএমইএ ভবনের চেয়ে ছোট ছিল।

ভবনটিতে বিজিএমইএর যেটুকু মালামাল অবশিষ্ট ছিল, তা সোমবার সরিয়ে নেওয়া শুরু হয়েছে।

এতে সাতদিন সময় লাগবে। তারপরই ভবন ভাঙার কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী এ এস এম রায়হানুল ফেরদৌস।

তিনি সোমবার বলেন, “মালামাল সরিয়ে নেওয়ার মধ্য দিয়েই আসলে বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজ শুরু হয়ে গেল।

“বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ এখানে থাকা কিছু জিনিসপত্র নিয়ে যাচ্ছে, বিল্ডিংটা ফ্রি করা হচ্ছে। এটা করতে সাতদিনের মতো লাগবে। এরপর থেকেই মূল কাঠামো ভাঙার কাজ শুরু হবে।”

সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পর এই ভবন থেকে যাবতীয় কার্যক্রম এবছরের শুরুতে ঢাকার উত্তরায় নতুন ভবনে সরিয়ে নিয়েছিল বিজিএমইএ।

দুই দশক আগে ১৯৯৮ সালে সরকারের কাছ থেকে জমি পেয়ে কারওয়ান বাজারের হাতিরঝিলে ভবন গড়ে তুলেছিল বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

জলাধার আইন লঙ্ঘন করে ভবনটি তোলায় ২০১১ সালে তা ভেঙে ফেলার রায় আসে হাই কোর্ট থেকে। পরে আপিল বিভাগও সে রায় বহাল রাখে।

বিজিএমইএ ভবনটিকে সৌন্দর্যমণ্ডিত হাতিরঝিলের ‘ক্যান্সার’ আখ্যায়িত করেছিল হাই কোর্ট। রায়ে বলা হয়েছিল, “একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা হিসেবে বিজিএমইএর আইনের প্রতি আরও বেশি শ্রদ্ধাশীল হওয়া বাঞ্ছনীয় ছিল। তারা তা না করে আইনকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেছে।”

আদালতের রায়ের পর ভবন খালি করতে কয়েক দফা সময় নিয়েছিল বিজিএমএইএ; এরপর গত এপ্রিলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-রাজউক ভবনটিতে তালা ঝুলিয়ে দেয়।
শীর্ষনিউজ/এসএসআই