বৃহস্পতিবার, ১৩-আগস্ট ২০২০, ০২:৪৫ অপরাহ্ন
  • জাতীয়
  • »
  • ঈদের দিনে পশু কিনতে পারায় স্বস্তি

ঈদের দিনে পশু কিনতে পারায় স্বস্তি

shershanews24.com

প্রকাশ : ০১ আগস্ট, ২০২০ ০৫:৪০ অপরাহ্ন

শীর্ষনিউজ, ঢাকা : ঈদুল আজহার দুদিন আগে থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাটে গরুর সংকট তৈরি হয়ে যায়। ক্রেতা থাকলেও পশুর হাটে ছিল না গরু। এতে হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন অনেক ক্রেতা। এবার পশু কোরবানি দিতে পারবেন না ভেবে অনেকের মনে ছিল হতাশা।  তবে আজ অনেকে তাঁদের হতাশা কাটিয়ে পছন্দের গরু কিনতে পেরেছেন। দামও ছিল নাগালের মধ্যে। আর পশু কিনতে পেরে ক্রেতাদের মনে ছিল স্বস্তির হাসি।


আজ শনিবার রাজধানীর গাবতলী, শনির আখড়া, কমলাপুর ও আফতাবনগর পশুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে, অনেকে পশু কেনার জন্য হাটে এসেছেন। বিক্রেতার সঙ্গে দামাদামি করে নির্দিষ্ট অঙ্কের হাসিল পরিশোধ করে ছোট পিকআপ ও ট্রাকে করে পশু নিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।

ফার্মগেটের বাসিন্দা মোহাম্মদ নয়ন গণমাধ্যমকে জানান, তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। গতকাল ঢাকা শহরের সব জায়গায় পশু কেনার জন্য ঘুরেছেন। কিন্তু পশু কোথাও পাননি। খুব মন খারাপ নিয়ে রাতে বাসায় ফিরতে হয়।
নয়ন বলেন, ‘বাসায় ফেরার পরে পরিবারের লোকজন খুব কষ্ট পেয়েছে। আমার ছেলেটার মুখের দিকে তাকানো যাচ্ছিল না। খুব আশায় ছিল সে। মনে মনে ভাবছিলাম, এ বছর কি কোরবানি দিতে পারব না? পরে ভোরে এক প্রতিবেশীর মাধ্যমে জানতে পারলাম, গাবতলীর হাটে অনেক পশু রাতে আনা হয়েছে। ঈদের নামাজ শেষে আমি ছেলেকে নিয়ে গাবতলী পশুর হাটে যাই। সেখানে গিয়ে ৬৫ হাজার টাকা দিয়ে পশু ক্রয় করি। দামও কম।’

নয়ন বলেন, ‘ঈদের দিন কোরবানি দিতে না পারলেও আগামীকাল কোরবানি দেওয়া যাবে। তবে আজ কেনার কারণে দামটা কম পেয়েছি। গতকাল বা এর আগের দিন এক লাখের ওপরে সেসব পশু কিনতে হয়েছে।’

এম এ সালাম নামের আরেক ক্রেতা বলেন, ‘দুদিন ধরে রাজধানীতে পশুর সংকট। যা পাচ্ছিলাম, তা কেনার সামর্থ্য ছিল না। কিন্তু আজ সকালে গাবতলীতে এসে অল্প দামে পছন্দের পশু কিনতে পেরেছি। খুব ভালো লাগছে। এখন ট্রাকে করে পশু বাসায় নিয়ে যাব, আগামীকাল পশু কোরবানি দেব।’
গাবতলী পশুর হাটের বিক্রেতা আবদুল কুদ্দুস বলেন, ‘এবার ৩০টা গরু ঝিনাইদহ থেকে এনেছিলাম। প্রথমে ১০টি গরু লসে বিক্রি করেছি। কিন্তু পরেরগুলো ভালো দাম পেয়েছি। গতকাল রাতে আমার আরেকটি ট্রাক আসে। সেগুলোর মধ্যে চারটি বিক্রি করেছি আজ। বাকিগুলো বিক্রির জন্য বসে আছি।’

আবদুল কুদ্দুস বলেন, ‘এবার করোনাভাইরাসের কারণে ঈদে বিক্রি কম হতে পারে বলে সবাই কম পশু এনেছিল। কিন্তু বাজার এমন হবে, কেউ ভাবেনি। পরে আমরা আরো গরু আনাই। কিন্তু রাস্তায় জ্যামের কারেণে সঠিক সময়ে গরু হাটে আসতে পারেনি।’

এদিকে গবতলী পশুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে, মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি। বড় গরুর ক্রেতা কম। তবে অনেককে গরুর সঙ্গে সেলফি তুলে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছবি পোস্ট দিতে দেখা গেছে।

শীর্ষনিউজ/এসএসআই



..........