বৃহস্পতিবার, ১২-ডিসেম্বর ২০১৯, ১০:০৭ অপরাহ্ন
  • জাতীয়
  • »
  • পেঁয়াজ কাণ্ডে, মুরগী ও গরুর মাংস বিক্রি কমেছে

পেঁয়াজ কাণ্ডে, মুরগী ও গরুর মাংস বিক্রি কমেছে

shershanews24.com

প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর, ২০১৯ ০৫:৩৫ অপরাহ্ন

শীর্ষনিউজ, ঢাকা: বেশ কয়েক দিন ধরে দেশের মানুষের মুখে মুখে পেঁয়াজ একটি আলোচিত নাম। কারণ পেঁয়াজ এমন একটি পণ্য যা যুগের পর যুগ ধরে বাঙালি রসনায় ব্যবহার হয়ে আসছে। পেঁয়াজ ছাড়া তরকারি রান্নার কথা ভাবতেই পারেন না অনেকে।

আবার গরু বা মুরগির মাংস রান্নায় পেঁয়াজ ব্যবহার বাধ্যতামূলক বলে মনে করেন বাঙালি রাধুনিরা। কিন্তু পেঁয়াজের আকাশ ছোঁয়া দামের কারণে ঘরে ঘরে সব রান্নায় তুলনামূলক কম পেঁয়াজের ব্যবহার শুরু হয়েছে।

তবে কম পেঁয়াজে মাংস রান্না সম্ভব নয় এমন ধারণা থেকেই ক্রেতারা মাংস কেনাও কমিয়ে ফেলেছেন। ফলে গত কয়েক দিনে মাংস ব্যবসায়ীদের বিক্রিও অনেকটা কমে গেছে।

যেই মাংস ব্যবসায়ী দিনে দুটি গরু জবাই করে বিক্রি শেষ করে ফেলতেন তিনি গতকাল শুক্রবারের জবাই করা একটি গরুও পুরোপুরি বিক্রি করতে পারেননি। বাকি অর্ধেক মাংস (বাসি মাংস) নিয়ে আজ শনিবার সকাল থেকে দোকান খুলে বসেছেন তিনি।

অনেকে আবার ক্রেতা কম দেখে একটি গরু জবাই দিয়ে তা ভাগ করে নিয়ে আলাদাভাবে বিক্রি করছেন। আবার অনেক মাংস ব্যবসায়ী আজ দোকানই খোলেননি। একাধিক মাংস ব্যবসায়ী এসব কথা জানিয়েছেন।

তাদের দাবি, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণে মাংস কেনা কমিয়ে দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ। আর বাসি মাংস কেউই কিনতে চায় না। তাই নানা কৌশলে মাংস বিক্রি করে হচ্ছে।

একই অবস্থায় রয়েছেন মুরগি ব্যবসায়ীরাও। মুরগির ক্রেতাও গত কয়েক দিন যাবত কমতে শুরু করেছে। দাম একই থাকলেও চাহিদা কমেছে বলে জানিয়েছেন মুরগি ব্যবসায়ীরা।

রাজধানীর এক মাংস ব্যবসায়ী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সপ্তাহের প্রতি শুক্রবার আমার দোকানে দুটি গরু জবাই হয়। আর দুপুরের মধ্যেই মোটামুটি সব মাংস বেচাকেনা হয়ে যায়। কিন্তু গতকাল একটা গরু জবাই দিয়েছি। সেই মাংসই বিক্রি করতে রাত ১০টা বেজে গেছে। তাই আর একটা গরু জবাই দেওয়ায় সাহস পাই নাই। কারণ মাংস খাওয়ার মানুষ কমে গেছে মনে হয়।’

অপর এক মাংস ব্যবসায়ী বলেন, ‘আজকে যে মাংসটুকু দেখছেন এগুলো গতকালের। কারণ কাল সারা দিনেও একটা গরু পুরোপুরি বিক্রি হয় নাই।’
শীর্ষনিউজ/এসএসআই