বুধবার, ২৫-নভেম্বর ২০২০, ০৭:৫০ অপরাহ্ন
  • অফিস-আদালত
  • »
  • ‘বালিশকাণ্ড’ মামলার তদন্ত ৬ মাসের মধ্যে শেষ করতে হাইকোর্টের নির্দেশ

‘বালিশকাণ্ড’ মামলার তদন্ত ৬ মাসের মধ্যে শেষ করতে হাইকোর্টের নির্দেশ

shershanews24.com

প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর, ২০২০ ০৮:০৩ অপরাহ্ন

শীর্ষনিউজ, ঢাকা : ‘বালিশকাণ্ড’ হিসেবে বহুল আলোচিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্রে আবাসন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে করা তিন মামলার তদন্ত ছয়মাসের মধ্যে সম্পন্ন করতে দুদকের তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে মামলার আসামি ওই প্রকল্পের উপসহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলামের জামিন প্রশ্নে জারি করা পৃথক তিনটি রুলের ওপর শুনানি ছয় মাসের জন্য মূলতবি করা হয়েছে।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেন। শফিকুল ইসলামকে কেন জামিন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে গত ১৭ আগস্টরুল জারি করেন হাইকোর্ট। এ অবস্থায় ওই রুলের ওপর শুনানি হয়।

আদালতে আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমেদ রাজা। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

পাবনায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্রে আবাসন প্রকল্পে অস্বাভাবিক দামে বালিশসহ আসবাবপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী কেনায় ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে গতবছর ১২ ডিসেম্বর পাবনায় পৃথক চারটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের গ্রিনসিটি প্রকল্পের ২০ ও ১৬ তলা ভবনের ১১০টি ফ্ল্যাটের জন্য অস্বাভাবিক মূল্যে আসবাবপত্র কেনা ও তা ভবনে উঠানোর খরচ দেখানোর ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হবার পর বিষয়টি তদন্ত করে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। এই তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলমসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশপাশি দুদক পৃথক চারটি মামলা করেছে।

গতবছর ১৬ মে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্পের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের থাকার জন্য গ্রিন সিটি আবাসন পল্লীতে ২০ তলা ১১টি ও ১৬ তলা ৮টি ভবন হচ্ছে। এরই মধ্যে ২০ তলা আটটি ও ১৬ তলা একটি ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি ফ্ল্যাটের জন্য একটি বৈদ্যুতিক চুলার দাম ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৭শ ৪৭ টাকা এবং তা ভবনে তুলতে খরচ ধরা হয়েছে ৬ হাজার ৬শ ৫০ টাকা, একটি বালিশের দাম ধরা হয়েছে ৫ হাজার ৯শ ৫৭ টাকা এবং তা ভবনে তুলতে খরচ ধরা হয়েছে ৭শ ৩০ টাকা। একটি বৈদ্যুতিক কেটলির দাম ৫ হাজার ৩শ ১৩ টাকা যা তুলতে খরচ দেখানো হয়েছে ২ হাজার ৯শ ৪৫ টাকা।
শীর্ষনিউজ/এসএসআই