শুক্রবার, ০৩-এপ্রিল ২০২০, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
  • রাজনীতি
  • »
  • ‘এ মুহূর্তে ইসলামবিরোধী কার্যক্রম বন্ধ করা সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য’

‘এ মুহূর্তে ইসলামবিরোধী কার্যক্রম বন্ধ করা সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য’

shershanews24.com

প্রকাশ : ২২ মার্চ, ২০২০ ০৯:৩১ অপরাহ্ন

 

শীর্ষনিউজ, ঢাকা : বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে দেশবাসীর উদ্দেশে বার্তা পাঠিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী। আজ রোববার সংবাদমাধ্যমে এ বার্তা পাঠানো হয়।

বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ‘অন্যায় কাজ ছেড়ে মহান প্রভুর দরবারে খাঁটি (মন) দিলে তওবা, দোয়া ও কান্নাকাটি করুন এবং নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন। আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকাসহ এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জরুরি দিকনির্দেশনা মেনে চলুন।’

করোনাভাইরাসে আতঙ্কিত না হয়ে আল্লাহর ওপর ঈমান এবং আকিদা বিশ্বাস ঠিক রেখে সচেতন থাকতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বানও জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘বাস্তবে কেউ যদি এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয় তাহলে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী তার কোয়ারেন্টিনে থাকা উচিত।’

জুনায়েদ বাবুনগরী আরও বলেন, ‘করোনাভাইরাস বিশ্বে আজ এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুরো বিশ্ব যেন আজ অবরুদ্ধ। অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, এ ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে মসজিদে জামাত সহকারে নামাজ পড়তে নিষেধ করা হচ্ছে, জুমা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। কুরআন ও হাদিসের ওয়াজ মাহফিল বন্ধ করা হচ্ছে। কিন্তু কই! অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয়গুলো বন্ধের তো কোনো আওয়াজ উঠছে না! মসজিদে কম যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু মন্দির প্যাগোডার কথা তো তেমন বলা হচ্ছে না!’

তিনি বলেন, এমন নাজুক মুহূর্তে মসজিদে মসজিদে নামাজের পরে বিশেষ দোয়া কুনুতে নাজেলা পাঠ এবং মাদরাসায় বিভিন্ন দোয়া-দরুদ, খতমে কুরআন শরিফ, খতমে বুখারি শরিফ, দোয়া ইউনুসের আয়োজন করে করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে মহান প্রভুর দরবারে কায়মনোবাক্যে দোয়া করতে হবে। মহামারি এসেছে আল্লাহ তাআলার নাফরমানি, অবাধ্যতা আর ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ডের দরুন। এ মুহূর্তে সারা দেশে ইসলামবিরোধী সব কার্যক্রম বন্ধ করা সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য।’

রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা দিতে চিকিৎসকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বাবুনগরী বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) রোগীর সেবা-শুশ্রুষা করা, তাকে সান্ত্বনা দেওয়াকে সর্বোচ্চ সৎ কাজ এবং গ্রহণযোগ্য ইবাদত হিসেবে ঘোষণা করেছেন। রাসুল (সা.) স্বয়ং রোগীদের ঘরে গিয়ে তাদের দেখাশোনা করতেন এবং তাদের সঙ্গে এমন কথা বলতেন যাতে তাদের মনে প্রশান্তি আসত, দুশ্চিন্তা হালকা হয়ে যেত।’
শীর্ষনিউজ/এসএসআই